রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। নতুন এই দাম সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে, চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি ভরিতে ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা সে সময় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম ছিল।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ দফা দাম বেড়েছে এবং ৩ দফা কমেছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয় যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৩২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬ বার দাম বেড়েছে এবং ২ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার এর মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি এবং ৩ বার হ্রাস পায়।












