কুমিল্লাবুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দক্ষিণ লেবাননে আরও চার ইসরাইলি সেনা নিহত

প্রতিবেদক
Cumilla Press
মার্চ ৩১, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু হয়। এতে ওইদিন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন। জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। এর তিন দিন পর ইরানের সঙ্গে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যোগ দেয় লেবাননের হিজবুল্লাহ।

সেই থেকে ইরানের পাশাপাশি লেবাননজুড়ে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। সেই সঙ্গে স্থল অভিযানও চালাচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। তবে তাদের এই স্থল অভিযান হিজবুল্লাহর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। একের পর এক ট্যাংক ও সেনা হারাচ্ছে ইসরাইল।

গত সোমবার (৩০ মার্চ) হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াইয়ে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর আরও চার সেনা নিহত হয়। আহত হয় আরও দুজন। দখলদার ইসরাইলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) আজ মঙ্গলবার (৩১  মার্চ) নিহত তিন সেনার নাম প্রকাশ করেছে। তারা হল- ক্যাপ্টেন নোয়াম মাদমোনি (২২), স্টাফ সার্জেন্ট বেন কোহেন (২১) এবং স্টাফ সার্জেন্ট মাক্সিম এনতিস (২১)।

তিনজনই নাহাল ব্রিগেডের গোয়েন্দা ইউনিটে দায়িত্বরত ছিল। নিহত চতুর্থ সেনার নাম পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আরেক সেনা গুরুতর আহত হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় একজন রিজার্ভ সেনা আহত হয়েছে।

অন্যদিকে এই সংঘাত শুরুর পর ইসরাইলের হামলায় লেবাননের ১ হাজর ২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গত রোববার ইউনিফিল জানায়, দক্ষিণ লেবাননের বানি হাইয়্যান গ্রামে অজ্ঞাত বিস্ফোরণে তাদের একটি গাড়ি ধ্বংস হয় এবং এতে দুই শান্তিরক্ষী নিহত হন। এছাড়া আদচিট এল-কসাইর এলাকায় একটি প্রজেক্টাইল হামলায় আরও একজন শান্তিরক্ষী মারা যান।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার সেনাবাহিনীকে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি সেখানে লিতানি নদী পর্যন্ত একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ (বাফার জোন) তৈরি করতে চান।

ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীরা দক্ষিণ লেবানন দখল (অ্যানেক্স) করার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে সেনাবাহিনী সেতু ও ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ওই এলাকাকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানিয়েছেন, সোমবার রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, যখন ইসরাইল লেবাননের বেকা ভ্যালিতে নতুন করে হামলা শুরু করে। তারা এমন সড়কগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেগুলো হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি ও সরবরাহ লাইনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।