সংবাদটি নতুনভাবে সাজানো:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, রংপুর অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটির কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইয়ের উদ্বোধন করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি জানান, শীতসহ তিন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি গাজীপুরে দুর্যোগ বিষয়ক একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে দেশি-বিদেশি গবেষকরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় সারাদেশে প্রায় এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া টিআর ও কাবিখা কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনে বিশেষ ত্রাণ (জিআর) বরাদ্দ দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রামে উদ্বোধন করা বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইটি দুর্যোগকালীন সময়ে একসঙ্গে এক লাখ মানুষের জন্য খাবার রান্না ও বিতরণে ব্যবহৃত হবে, যা মানবিক সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিব, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


.











