বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। দিন দিন ঘনীভূত হওয়া এ সংকটের কারণে রাজধানীতে জ্বালানি সংগ্রহে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যানবাহন চালকরা।
সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত ও ব্যাংকের সময়সূচি ইতোমধ্যে কমিয়ে আনা হলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। রাজধানীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ফলে যেসব স্টেশনে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণের বেশি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। ফলে চালকদের একাধিক পাম্প ঘুরেও তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
চালকদের অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় তারা নিয়মিত এই সংকটে পড়ছেন। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ছে পরিবহন খাতে। দূরপাল্লার যান চলাচল কমে যাওয়ায় পর্যটন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। একইসঙ্গে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, সীমিত সরবরাহের কারণে গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত তেল মজুত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে অতিরিক্ত তেল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগও উঠেছে কিছু গ্রাহকের বিরুদ্ধে।
কুমিল্লা প্রেস সংবাদ দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সাবস্ক্রাইব করে কুমিল্লা প্রেসের সাথেই থাকুন।


.












