স্টাফ রিপোর্টার:
উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলে এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৭১.১৫ শতাংশ, যা গত ৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭৫.৩৯ শতাংশ। তবে এ বছর বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এ বছর ৭ হাজার ৯২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা গত বছরের ৫ হাজার ৬৫৫ জনের তুলনায় অনেক বেশি।
এ বছর ১ লাখ ১২ হাজার ৩১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯ হাজার ৯০৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. নিজামুল করিম বোর্ড মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করেন।
চেয়ারম্যান জানান, এ বছর কুমিল্লা বোর্ডের অধীন ৬ জেলায় শতভাগ পাস করেছে ১০টি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শূন্য পাস করেছে। ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। মেয়েদের মধ্যে ৪ হাজার ৯৫৪ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, जबकि ছেলেদের মধ্যে ২ হাজার ৯৬৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মেয়েদের পাসের হার ৭৩.৭০ শতাংশ এবং ছেলেদের ৬৭.৭৪ শতাংশ।
পাসের হার কম হওয়ার বিষয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, এ বছর ইংরেজি ও আইসিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ইংরেজিতে ফেল করেছে ২১ হাজার ৫৩৮ জন এবং আইসিটিতে ফেল করেছে ১২ হাজার ৮১০ জন। তাই পাসের হার কমে গেছে।
তিনি আরও জানান, এই দুটি বিষয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ফেল করায় এবং শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান, সচিব প্রফেসর নুর মোহাম্মদ এবং উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান ও মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।












