স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লায় আলোচিত অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কুমিল্লা মহানগরী আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মো. বাচ্চু মিয়া (৪২) কে যৌথ বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তার সহযোগী মো. ফাহিমকেও আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ৫টি মোবাইল সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। ফাহিমের বিরুদ্ধে আগে থেকে ডাকাতির মামলা রয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রবিবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় বিজয়নগর এলাকায় যৌথ টহল দলের অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বাচ্চু মিয়া গত বছরের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বিদেশ সফরের সময় কুমিল্লা নগরীতে সহিংসতা শুরু হয়। আদালত প্রাঙ্গণে সহিংসতার খবর পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি কাইমূল হক রিংকু, তার দুই ছেলে ও আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন আইনজীবী ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন। সেসময় ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ রায়হানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা তাদের ওপর গুলি ও ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে আবুল কালাম কালাম কোমরে গুলিবিদ্ধ হন এবং রিংকু ও তার দুই ছেলেসহ আরও কয়েকজন আহত হন। কালামকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হলেও ১০ দিন পর তিনি মারা যান।
ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, বাচ্চু মিয়ার গ্রেপ্তারে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যান্য আসামিদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।












