স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস – ২০২৩ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে র্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র্যালি শুরু হয় যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মবিষয়ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন , ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী, ছাত্র উপদেষ্টা হাবিবুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
আলোচনা সভায় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও আমরা এই দিবসটি উদযাপন করছি। ৭-ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর নিরস্ত্র বাঙালী জাতি যুদ্ধে নেমে পরেন। কিন্ত সে যুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধু ছিলেন জেলে বন্দী এবং তাকে তখন ফাঁসি দেওয়ার কথা বলা হলেও তিনি বলেন যে, তারপরেও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চান। বঙ্গবন্ধুর এই যে দেশপ্রেমকে নিজেরা ধারণ করাই এই দিবসে জরুরি।
আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যারা দেখেছেন তারা তার ভয়াবহতা সম্পর্কে জানবেন আশা করি, বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলো বাংলার মানুষেরা। কিন্তু ফিরে আসার পর পরাজিত শক্তির সাহায্যের ফলে গুটিকয়েক অবাধ্য সৈন্য তাকে হত্যা করে। যার ফলে সময় স্বল্পতার জন্য বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন করে যেতে পারেননি। এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে ভালবেসে যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।












