ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি এবং বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানি ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম লারিজানির একটি হাতে লেখা নোট প্রকাশ করেছে। এটি জীবিত থাকার প্রমাণ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশিত ওই নোটে আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ইরানি নাবিকদের স্মরণ করা হয়েছে। তাদের জানাজা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এমতাবস্থায় লারিজানি নিহত হলে, চলমান যুদ্ধে এটি হবে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ড। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন।
লারিজানিকে সর্বশেষ গত শুক্রবার তেহরানে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে দেখা যায়। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ লারিজানি এক সময় পশ্চিমাদের সঙ্গে দেশের পারমাণবিক আলোচনা পরিচালনা করেছেন। এছাড়া তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, নির্ভুল সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমান বাহিনী তেহরানের কেন্দ্রে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালিয়ে গত ছয় বছর ধরে বাসিজ ইউনিটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা গোলামরেজা সোলেইমানিকে হত্যা করেছে।
তবে এই দাবিও এখনো নিশ্চিত করেনি ইরান।


.












