দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর বিস্ফোরণে দুই ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন পৃথক বিস্ফোরণে আরেকজন ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষী প্রাণ হারান। ফলে এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনে।PauseMute
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ২ মার্চ শুরু হওয়া ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মধ্যে এটাই প্রথম প্রাণহানির ঘটনা।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, সোমবারের ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননের বানি হাইয়ান এলাকায়বিস্ফোরণে ইন্দোনেশীয় শান্তিরক্ষীদের একটি গাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। এতে দুইজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও দুজন আহত হন
সামরিক সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১১টার দিকে ইন্দোনেশীয় কনটিনজেন্টের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি লজিস্টিক বহরে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ছয়টি কৌশলগত যানবাহনের ওই বহরের প্রথম গাড়িটি মোড় নেয়ার সময় বিস্ফোরণের শিকার হয়। এতে গাড়ির ভেতরে থাকা সেনারা হতাহত হন।
ওই বহরটি মূলত সরঞ্জাম সরবরাহ এবং আগের দিন নিহত হওয়া শান্তিরক্ষীর মরদেহ পরিবহনের দায়িত্বে ছিল। সোমবার নিহত দুই সেনা সদস্য হলেন- একজন ক্যাপ্টেন জুলমি আদিত্য ইস্কান্দার, যিনি কোম্পানি কমান্ডার এবং ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনীর সদস্য ছিলেন এবং আরেকজন ফার্স্ট সার্জেন্ট ইখওয়ান। এছাড়া গত রোববার নিহত শান্তিরক্ষীর পরিচয়ও জানা গেছে, তিনি হলেন- ২৮ বছর বয়সী ফাহরিজাল রোমাধোন।
এর আগে রোববার ইন্দোনেশিয়া তাদের শান্তিরক্ষী ঘাঁটির নিকটে সংঘটিত একটি গোলাবর্ষণের নিন্দা জানায়। দক্ষিণ লেবাননের আদচিত আল-কুসাইর এলাকার কাছে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউএনআইএফআইএল) ঘাঁটির আশপাশে এই হামলায় তিনজন ইন্দোনেশীয় সেনা আহত হন।
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, শান্তিরক্ষীদের লক্ষ্য করে যেকোনো হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এটি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


.












