ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশটিতে ব্যাপক সাইবার হামলাও চালানো হচ্ছে। এর ফলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-সহ বহু ওয়েবসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে হামলার মুখে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে ‘নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে’ বলে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় তেহরানে ছিলেন না খামেনেয়ি। তিনি তখন কোন শহরে ছিলেন–তা পরিষ্কার করা না হলেও প্রতিবেদনে যোগ করা হয়, খামেনেয়িকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
রাজধানী তেহরানে গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পরমাণু শক্তি সংস্থা এবং পারচিন মিলিটারি কমপ্লেক্সে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা। এ ছাড়া দেশটির কেরমানশাহ, লোরেস্তান, তাবরিজ, ইসফাহান, কারাজেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ইরানের আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পরই সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশটির ছাড়তে নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তখনই হামলার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।










