চলমান দেশবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। ইন্টারনেট চালু নিয়ে আরও দুঃসংবাদ দিয়েছে ইরান সরকার।
ইরানে চলমান ইন্টারনেট বন্ধের মেয়াদ এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সরকারি মুখপাত্রের বরাতে ইরানওয়্যার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের নববর্ষ নওরোজ (২০ মার্চ) পর্যন্ত সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নওরোজের আগে আন্তর্জাতিক অনলাইন সেবায় প্রবেশাধিকার পুনরায় চালু করা হবে না।
ইরানওয়্যার জানায়, ইরানে সংঘাতে নিহতদের স্মরণে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই শোক শেষ হওয়ার পরেও ইন্টারনেট শাটডাউন বহাল থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
৮০০ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, ইরানে চলমান ব্ল্যাকআউট এরইমধ্যে ১৮০ ঘণ্টা অতিক্রম করেছে। এটি ২০১৯ সালের ইন্টারনেট বন্ধের সময়কালকেও ছাড়িয়ে গেছে। দেশটিতে এখনো কোনো আংশিক বা আঞ্চলিকভাবে ইন্টারনেট চালু করা হয়নি।
নেটব্লকস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে জানায়, ‘২০১৯ সালে ইন্টারনেট পুনরায় চালু হওয়ার পরই তখনকার কঠোর দমন-পীড়নের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ পায়।’
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র তীব্র বাকযুদ্ধ
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ইরানি কর্তৃপক্ষ একটি ‘ইন্টারনেট কিল সুইচ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধ সহজে কার্যকর করা যাবে।
সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই প্রকল্পের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবা, ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এবং জনপরিকাঠামো জাতীয় নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট বন্ধ রাখা সহজ হয়।












