কুমিল্লাবৃহস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইসিইউর ৪১ শতাংশ রোগীর শরীরে অকার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক!

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ১০:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই পাড়া-মহল্লার ফার্মেসিতেও মিলছে অ্যান্টিবায়োটিক। যথেচ্ছ ব্যবহারে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য। আই.ই.ডি.সি.আর-এর গবেষণা অনুযায়ী, ৪১ শতাংশ আইসিইউ রোগীর শরীরেই কাজ করছে না বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলছেন, রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় চিকিৎসক, রোগী ও ওষুধ বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই।

আইসিইউর ৪১ শতাংশ রোগীর শরীরে অকার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক!

রৌনক নিয়ন্তা

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। ছবিতে ইংরেজি ‘R’ লেখাগুলো নির্দেশ করে রোগীর শরীরে অকার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক। শুধু একটি ওষুধ কাজ করায় বেঁচে আছেন রোগী।

বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছিল অ্যান্টিবায়োটিক। তবে, এর যথেচ্ছ ব্যবহার ডেকে আনছে বিপদ।

সাধারণ মানুষ জানায়, দু-তিনদিনে জ্বর না কমলে ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন বেশিরভাগ সময়।

অপ্রয়োজনে বা ভুল ব্যবহারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে জীবাণু। এতে প্রয়োজনের সময় শরীরে কাজ করছে না এই ওষুধ। ক্ষেত্র বিশেষে ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণু রোগীকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে।

ফার্মেসিতে ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হচ্ছে অহরহ। মহামারির চেয়েও বড় স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি আসন্ন জেনেও এখন পর্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে কোনো নীতিমালা করতে পারেননি নীতি-নির্ধারকরা। আর তাই, বিশেষজ্ঞের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই পাড়া-মহল্লার ফার্মেসিগুলোতে দেদার বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক।

অ্যান্টিবায়োটিককে মূলত তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রথমে এক্সেস গ্রুপ, দ্বিতীয় ওয়াচ গ্রুপ ও সবশেষ রিজার্ভ গ্রুপ। শঙ্কার বিষয়, যেখানে শুরু করার কথা এক্সেস গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক থেকে; সেখানে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগেই অনেক রোগী ফার্মেসি থেকে কিনছেন রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক।