সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কাম্পেওনাতো পাউলিস্তার শেষ ষোলোয় ভেলো ক্লাবকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সান্তোস। এই ম্যাচ দিয়েই ২০২৬ সালে প্রথমবার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরলেন নেইমার। বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেয়ার মিশনের শুরুটা গোল দিয়ে করতে না পারলেও নামের পাশে একটি অ্যাসিস্ট পেয়েছেন এই ৩৪ বছর বয়সী।
নেইমারের মাঠে ফেরার অপেক্ষার অবসান ঘটে বিরতির সময়। আর্জেন্টাইন আলভারো বাররেয়ালের বদলি হিসেবে নামেন তিনি। ততক্ষণে সান্তোস ৩-০ গোলে এগিয়ে গেছে। গ্যাবিগোল, মইসেস ভিয়েরা দা ভেইগা এবং থাসিয়ানো গোল তিনটি করেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও পেইশেদের আক্রমণের ধার কমেনি। এই অর্ধেও তিনটি গোল করে সান্তোস। গ্যাব্রিয়েল মেনিনো দূরপাল্লার শটে দারুণ এক গোল করেন। গ্যাবিগোলকে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলে বল যোগান দিয়ে অ্যাসিস্টদাতার খাতায় নাম লেখান নেইমার। আর শেষ গোলটা আসে আর্জেন্টাইন বেনহামিন রোলহেইসার পা থেকে।
এই জয়ে সান্তোস কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে নোভোরিজোন্তিনো। টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক এই দলটি, যারা ব্রাজিলেইরাঁওয়ের সিরি বি-তে থাকা সত্ত্বেও পালমেইরাসকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে।












